ইভার চিকিৎসক হওয়ার দায়িত্ব নিলেন পলক

২২ এপ্রিল, ২০২১ ১৮:১৫  
নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার ইভা খাতুনের মেডিকেল পড়ার অর্থিক অনটন দূর করার দায়িত্ব নিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ। ব্যক্তিগতভাবে তিনি এতিম এই মেয়েটির পড়ালেখার যাবতীয় দায়িত্ব নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার মুঠোফোনে ইভার সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রতিমন্ত্রী। গত বুধবার প্রথম আলো অনলাইন সংস্করণে ‘অর্থাভাবে মেডিকেলে পড়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় ইভা’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। ওই প্রতিবেদন পড়েই মেয়েটির অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি বলেছেন, তার ডাক্তার হওয়ার জন্য যা যা সহযোগিতা দরকার, তা আমি ব্যক্তিগতভাবে করতে চাই। আমি বেঁচে থাকলে তাঁর ডাক্তারি পড়ায় কোনো সমস্যা হবে না। প্রথম আলোর খবরে বলা হয়, বাগাতিপাড়া উপজেলার সলইপাড়া গ্রামের ঝরনা বেগম ও মৃত ইউসুফ আলীর মেয়ে ইভা খাতুন। তার বয়স যখন দুই বছর চার মাস, তখন তার বাবা কিডনিজনিত সমস্যায় মারা যান। এরপর থেকে অভাব-অনটনের সংসারে মেয়ে বড় হতে থাকে। শেষ সম্বল ১৫ শতাংশ জমিও স্বামীর চিকিৎসা করাতে বন্ধক রাখতে হয়েছে ঝরনা বেগমকে। তাঁকে টিউশনি করে অনেক কষ্টে সংসার ও মেয়ের লেখাপড়ার খরচ চালাতে হয়েছে। চলতি বছর মাগুরা মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন ইভা খাতুন। কিন্তু মেডিকেলে ভর্তি ও পড়ালেখা চালানোর আর্থিক সামর্থ্য নেই তার পরিবারের। ফলে তাঁর পড়ালেখা ও চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।  শেষ সম্বল ১৫ শতাংশ জমিও স্বামীর চিকিৎসা করাতে বন্ধক রাখতে হয়েছে ঝরনা বেগমকে। তাকে টিউশনি করে অনেক কষ্টে সংসার ও মেয়ের লেখাপড়ার খরচ চালাতে হয়েছে।